আমার সব গেল, এহন আমি কী নিয়া বাঁচুম’

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ধার করে ইজিবাইকটি কিনেছিলেন তায়েবুল। সকাল থেকে সারা দিন এটি চালিয়ে যা আয় হতো, তা দিয়েই চলত তাঁর সংসার। এক মেয়ের বিয়ে হয়েছে। ছেলে ইসমাইল কলেজে এবং মেয়ে তানজিনা ও কুলসুম স্কুলে পড়ে। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছে পরিবারটি।

কবর দেওয়ার পর তায়েবুলের বাড়িতে প্রতিবেশী ও স্বজনেরা এসে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন তায়েবুলের স্ত্রী ও সন্তানদের। কিন্তু কোনো সান্ত্বনাই তাঁদের শান্ত করতে পারছিল না। আছমা খাতুন চিৎকার করে বলছিলেন ‘আমার স্বামী মেয়ে-নাতিকে নিয়া রওনা হলো। আমি বাড়ির বাইরে গিয়া বিদায় দিলাম। এ বিদায় যে শেষ বিদায় হবো, তা কে জানত। আমাগো এহন কী হবো।’

দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন জানান, এ পরিবারকে ইউপির পক্ষ থেকে যতটুকু সাহায্য–সহযোগিতা করা যায়, তা করা হবে। এ ছাড়া সরকারি সাহায্য–সহযোগিতা যাতে পেতে পারে, তার জন্যও চেষ্টা করা হবে।

Comments are closed.