এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, দ্রব্যমূল্য কিছু বাড়লেও নিম্নবিত্তদের ক্রয়ক্ষমতা তিনগুণ বেড়েছে।
কিন্তু রাজধানী ভাটারার একটি রিকশা গ্যারেজের মিস্ত্রী হারুন জানান, তিনি দিনে ৩০০-৫০০টাকা আয় করেন – তা দিয়ে সংসার চলছে না তার।
তার বাসায় গিয়ে দেখা যায়, তার স্ত্রী চম্পা আকতার লাউ শাক রান্না করছেন যেটি ছিল সেদিনের জন্য তার চার সদস্যের পরিবারের দুপুর এবং রাতের খাবারের তরকারি।
তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, খরচ কমাতে এখন তারা খাবারে আমিষের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন, আগে এক মাসের মধ্যে ৭-১৫ দিন মাছ অথবা মাংস খেতে পারেন। আর এখন সেটা মাসে একবার অথবা দুই বারে এসে ঠেকেছে।
খরচ কমাতে ছেলের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন তারা।
তাদের পরিবারের গল্প তুলে এনেছেন বিবিসির শাহনেওয়াজ রকি।