সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী সৈকতকে পর্যটন সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা

ইউএনও মো. শাহাদাত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গুলিয়াখালী সমুদ্রসৈকতকে পর্যটন সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা সীতাকুণ্ডের বাসিন্দাদের জন্য একটা বড় অর্জন। এই পর্যটন এলাকা ঘিরে তাঁরা নানামুখী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। এর মধ্যে গুলিয়াখালী যাওয়ার সড়কটি ২৪ ফুট চওড়া করার জন্য ২০ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। সৈকত এলাকায় আর কোনোভাবে অপরিকল্পিত স্থাপনা গড়তে দেওয়া হবে না।

দেশের অন্য সৈকত থেকে এর বৈশিষ্ট্য কিছুটা আলাদা। তপ্ত রোদে পর্যটকদের শীতল ছায়ার জন্য সৈকতে ছাতা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ম্যানগ্রোভ বনের গাছগাছালি। সৈকতের মাটি সবুজ ঘাসের চাদরে ঢাকা। মাটির আঁকাবাঁকা ভাঁজে ভাঁজে জোয়ারের পানি দোলা দেয়। মাঝেমধ্যে হরিণের উঁকিঝুঁকি, কখনো কখনো ছুটে চলে লাল কাঁকড়া। সৈকতের পশ্চিমে তাকালে দিগন্তজোড়া জলরাশি দেখা যায়। পূর্ব দিকে তাকালে দেখা মেলে পাহাড়ের। সৈকতের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দির, বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের সহস্রধারা ও সুপ্তধারা নামের দুটি ঝরনা।

২০১৪ সালে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) একদল শিক্ষার্থী সৈকতটিতে ঘুরতে গিয়ে কিছু ভিডিও ও ছবি ফেসবুক, ইউটিউবে আপলোড করেন। এরপর সৈকতটির সৌন্দর্যের কথা ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।

Comments are closed.