প্রথম বছরেই ভালো ফলন, সন্তুষ্ট কৃষক

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোছাদ্দেক হোসেন বলেন, ডুমুরিয়া কৃষি কার্যালয় থেকে প্রতিবছর কৃষকদের বিনা মূল্যে বীজ ও সারসহায়তা দেওয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো ২৫ জন কৃষককে ২৫ কেজি বারি-১৮ জাতের শর্ষের বীজ সরবরাহ করা হয়েছিল। প্রায় দ্বিগুণ ফলন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, উপকূলীয় এলাকার জন্য শর্ষের এই জাত খুবই সম্ভাবনাময়। ফলন বেশি, চাষাবাদের ঝামেলাও কম। এটি চাষ করে শর্ষে তেলের ঘাটতি অনেকটা কমিয়ে আনা যাবে।

Comments are closed.