‘দ্বীপবন্দী’ সময়টুকু সেন্ট মার্টিনের মানুষের সেবায় ব্যয় করলেন চিকিৎসকেরা

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের কারণে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত শনিবার প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিনে বেড়াতে আসা দেড় হাজার পর্যটক আটকা পড়েছেন। আজও আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বলবৎ থাকায় কোনো ধরনের জাহাজ সেন্ট মার্টিন থেকে টেকনাফ, কক্সবাজার কিংবা চট্টগ্রামের পথে চলাচল করেনি।

স্থানীয় বাসিন্দা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পরিবারের সদস্যসহ চিকিৎসকদের ৬৭ জনের দলটি শনিবার সেন্টমার্টিন দ্বীপে বেড়াতে আসে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের জাওয়াদের সতর্কসংকেত বলবৎ থাকায় তাঁরা গতকাল ফিরে যেতে না পেরে আটকা পড়েন। আটকে পড়া সবার মতামতের ভিত্তিতে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের বাসিন্দাদের চিকিৎসা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ওই দলের ৬৭ জনের মধ্যে ৩০ জন চিকিৎসক। তাঁদের অধিকাংশই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত। তাঁদের মধ্যে মেডিসিন, শিশুরোগ, গাইনিসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছিলেন।

চিকিৎসক দলটির অধিকাংশই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত। তাঁদের মধ্যে মেডিসিন, শিশুরোগ, গাইনিসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছিলেন

চিকিৎসক দলটির অধিকাংশই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত। তাঁদের মধ্যে মেডিসিন, শিশুরোগ, গাইনিসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছিলেন
দ্বীপের বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন বলেন, বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেওয়ার খবরে প্রচুর নারী–পুরুষ ভিড় করেছেন সেন্ট মার্টিন হাসপাতালে। নারী–পুরুষের পাশাপাশি শিশুদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।

Comments are closed.